Home / টপ নিউজ / কোনো ধরনের গোপন চুক্তি হবে না : ওবায়দুল কাদের

কোনো ধরনের গোপন চুক্তি হবে না : ওবায়দুল কাদের

নিজস্ব প্রতিবেদক : 
প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন ভারত সফরে কোনো ধরনের গোপন চুক্তি হবে না বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। পাশাপাশি রাজনৈতিক দলগুলোকে ‘ইন্ডিয়া ফোবিয়া’র বিষয়ে দায়িত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি। কাদের বলেন, সামরিক-বেসামরিক সকল চুক্তি জাতীয় স্বার্থকে সমুন্নত রেখে করা হবে। সামরিক, বেসামরিক, কূটনৈতিক সকল ধরনের চুক্তি হতে পারে। আমেরিকা, রাশিয়ার সাথেও অনেক দেশ চুক্তি করে। কিন্তু এই যে গেল গেল, ইন্ডিয়া নিয়ে গেল; এই ইন্ডিয়া ফোবিয়া নিয়ে দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর আরও দায়িত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করা উচিত।
বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর তেজগাঁওয়ের সড়ক ভবন প্রাঙ্গনে সড়ক ও জনপথ ডিপ্লোমা প্রকৌশলী সমিতির ১৪তম জাতীয় সম্মেলন ও ১৯তম কাউন্সিল অধিবেশনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের বিষয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ভারত আমাদের দেশে খুব স্পর্শকাতর। ভারত আসলেই একটা গেল গেল ভাব কাজ করে। দেশের একটা মহল চিৎকার করে ওঠে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের একটা অংশ নাকি ভারতের অঙ্গরাজ্য হয়ে যাবে, এমন অপপ্রচারও চালানো হয়েছিল। যার সাথে বাস্তবের কোনো সামঞ্জস্য নেই। ভারতের সাথে আমাদের বন্ধুত্ব হবে সমতার ভিত্তিতে। কেউ ছোট, কেউ বড় নয়; সম্পর্ক হবে জাতীয় স্বার্থে।
কাদের বলেন, ভারতের গোলামী করলে ১৫ আগস্টের পর আমরাই ক্ষমতায় থাকতাম।
ভারতের সাথে চুক্তির বিষয়ে বিএনপির বক্তব্যের সমালোচনায় মন্ত্রী বলেন, কোনো চুক্তি গোপন থাকবে না। এই তথ্যপ্রবাহের বিস্ফোরণের যুগে কিছুই গোপন থাকবে না। আর কিছু গোপন করারও দরকারই নেই। কেন গোপন করবো? আমরা তো রাজনীতি করি জনগণের জন্য। তাই জনগনের সামনে কোনো কিছু গোপন করা আমরা সমীচীন মনে করি না।
তিনি বলেন, আমরা কারো পদানত নই। কারো কাছে আমাদের মর্যাদা ক্ষুন্ন হয়নি। কোন কোন ক্ষেত্রে আমরা ভারতের চেয়েও এগিয়ে। আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। আমরা কারো দাসত্ব করি না, কারো চেয়ে পিছিয়ে নেই। কারো আনুগত্য স্বীকার করি নাই, আমরা বীরের দেশ। বীরের মতই শেখ হাসিনা মাথা উচু করে ভারত যাবেন। জাতীয় স্বার্থ সমুন্নত রেখে জনগনের জন্য তিনি চুক্তি করবেন। আর চুক্তি তো একতরফা না, এটি উভয়পক্ষের সম্মতিতেই হয়।
ছিটমহল বিনিময়সহ বিভিন্ন প্রসঙ্গ তুলে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাদের বলেন, মুজিব-ইন্দিরা চুক্তিকে আপনারা গোলামির চুক্তি বলেছিলেন। তালপট্টি যখন চলে গেলো, তখন আপনারা ক্ষমতায়। তখন কিন্তু কথা বলেননি। মনে রাখবেন, মাথা নত না করার কারণে বঙ্গবন্ধুকে জীবন দিতে হয়েছিল। তার কন্যাও মাথা নত করার নেতা নন।
সড়ক ও জনপথ ডিপ্লোমা প্রকৌশলী সমিতির সভাপতি আব্দুন নুমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব এম এ এন ছিদ্দিক, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী ইবনে আলম হাসান, ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনীয়ার্সের সভাপতি এ কে এম এ হামিদ।
এর আগে সড়ক ও জনপদ ডিপ্লোমা প্রকৌশলী সমিতির সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মুন্তাসীর হাফিজ সংগঠনটির পক্ষে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন।
মুক্তা // এসএমএইচ // মার্চ ১৬, ২০১৭

x

Check Also

আরো আট নারী ও শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ

সাভারের আশুলিয়ায় বন্ধুদের সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে স্থানীয় একটি কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা দুই ...