Home / টপ নিউজ / গণতন্ত্র ফেরাবে আওয়ামীলীগের নতুন কমিটি, প্রত্যাশা বিএনপির

গণতন্ত্র ফেরাবে আওয়ামীলীগের নতুন কমিটি, প্রত্যাশা বিএনপির

নিজস্ব প্রতিবেদক :

আওয়ামী লীগের ২০তম কাউন্সিলে নির্বাচিত সভাপতি শেখ হাসিনা ও সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। একই সাথে তাদের কাছ থেকে দেশের গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার ফিরিয়ে দেয়ার প্রত্যাশার কথা জানিয়েছেন তিনি।

রাজধানীর সেগুন বাগিচায় অবস্থিত কচি-কাঁচা মিলনায়তনে কালজয়ী চলচ্চিত্রকার চাষী নজরুল ইসলাম এর ৭৫তম জন্মদিন উপলক্ষে আলোচনা সভা ও প্রামাণ্য চলচ্চিত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠানে তিনি এমন প্রত্যাশার কথা জানান। জাতীয়তাবাদী সংস্কৃতিক জোট এই সভার আয়োজন করে।

মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা জাতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ খবর পেয়েছি। সেটি হলো আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন শেখ হাসিনা ও সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন ওবায়দুল কাদের। আমি তাদের অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাই। তাদের কাছে জাতীর যে আশা, যে প্রত্যাশা, যে আকাঙ্ক্ষা তা হল গণতন্ত্র ফিরিয়ে দেয়ার জন্য, অধিকার ফিরিয়ে দেয়ার জন্য তারা কাজ করবেন।

আওয়ামী লীগের কাউন্সিল প্রসঙ্গে বিএনপি’র এই নেতা বলেন, “আওয়ামী লীগ একটা বড় উৎসব করেছে। এই উৎসবে তারা ঢাকাসহ আশপাশের শহরে আলোকসজ্জা করেছে, যা অতীতের সকল রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে।
আওয়ামী লীগের সাজসজ্জা ও উৎসবের আয়োজন যেভাবে করেছে, তা অত্যন্ত নিখুঁতভাবে করেছে। কাউন্সিলে বহু বিদেশি বন্ধুরা ও রাজনৈতিক দলের অনেকেই এসেছিলেন এবং কথা বলেছেন। কিন্তু দেশের মানুষের যে চাহিদা তার জন্য তারা কি কিছু বলেছেন? এই সম্মেলনে সেই মূল বিষয়টাই নেই।”
তিনি বলেন, “বর্তমানে দেশের প্রধান সংকট হচ্ছে গণতন্ত্র নেই। সেই গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে আনতে কি করবেন তারা তা বলেননি। মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দিতে তারা কি করবেন, তাও বলেননি।

তিনি আরো বলেন, “আমরা আশা করেছিলাম এই কাউন্সিল থেকে বাংলাদেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের পথ নির্দেশিকা পাব। প্রধানমন্ত্রী, তিনি কিভাবে গণতন্ত্রে ফেরা যাবে, সংলাপের আয়োজন করা যাবে, বিরোধী দলের সাথে সমঝোতা করা যাবে, সেই ব্যাপারে কথা বলবেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমরা তা পাইনি। জাতি যে অনিশ্চয়তার মধ্যে ছিল, সেই অনিশ্চয়তার মধ্যেই থেকে গেল। বরং তা বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

চাষী নজরুল ইসলামের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, ‘চাষী ভাই খাঁটি দেশপ্রেমিক ছিলেন। মানুষকে ভালোবাসা, শিল্পকে ভালোবাসা একজন সৃষ্টিশীল মানুষ ছিলেন। তিনি সত্য কথা বলতে ভয় পেতেন না। অল্প কথায় বড় বড় বিষয়গুলো উচ্চারণ করতে পারতেন।

চাষী নজরুল ইসলামের সহধর্মিণী জ্যোৎস্না কাজীর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা নাজমুল হক নান্নু, ভাইস চেয়ারম্যান এ জেড এম জাহিদ হোসেন, বরেণ্য সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক জোটের সহ-সভাপতি ড. মাহফুজ উল্লাহ, ঢাবি’র সাবেক উপ-উপাচার্য অধ্যাপক আ ফ ম ইউসুফ হায়দার, চলচিত্র পরিচালক সোহানুর রহমান সোহান ও কণ্ঠ শিল্পী মনির খান।

আরডি/ ২৪ অক্টোবর ২০১৬

x

Check Also

আরো আট নারী ও শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ

সাভারের আশুলিয়ায় বন্ধুদের সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে স্থানীয় একটি কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা দুই ...