Home / জেলা সংবাদ / গ্রেফতারের পর নিখোঁজ মুছা, সন্ধান চান স্ত্রী

গ্রেফতারের পর নিখোঁজ মুছা, সন্ধান চান স্ত্রী

চট্টগ্রাম, ৪ জুলাই (অনলাইনবার্তা): পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম ওরফে মিতু ‍আক্তারকে হত্যার ঘটনায় কামরুল ইসলাম সিকদার ওরফে মুছাকে পুলিশ ১৩ দিন আগে গ্রেফতার করেছে বলে জানিয়েছেন তার স্ত্রী পান্না আক্তার। কিন্তু পুলিশ গ্রেফতারের বিষয়টি স্বীকার না করায় এবং গণমাধ্যমে বিভিন্ন সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার প্রেক্ষিতে মুছার ভাগ্যে আসলে কি ঘটেছে জানতে চেয়েছেন তার স্ত্রী।

সোমবার (০৪ জুলাই) পান্না এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, মুছা দোষ করলে অবশ্যই দোষী হবে, সাজা পাবে।  তাকে আইনের কাছে সোপর্দ করা হোক।  তাকে আদালতে হাজির করা হোক।  বিচারে যেটা হবে সেটা আমরা মেনে নেব। কিন্তু তাকে মেরে ফেলার কথা আসছে কেন? মুছার ভাগ্যে কি ঘটেছে আমাদের জানান।

‘আমি স্ত্রী হিসেবে আমার স্বামীকে জীবিত ফেরত চাই।  আমার ধারণা সে বেঁচে আছে।  অনেকে বলছে তাকে মেরে ফেলা হয়েছে, আমি এটা বিশ্বাস করি না। ’ কান্নাজড়িত কন্ঠে বলেন পান্না।

চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে আয়োজিত ওই সংবাদ সম্মেলনে মুছাকে গ্রেফতারের বর্ণনাও দেন পান্না আক্তার।

তিনি জানান, ২২ জুলাই সকাল ৭টার দিকে মুছা, পান্না ও তাদের দুই ছেলে এবং মুছার বড় ভাই সাইদুল ইসলাম সিকদার নগরীতে এক আত্মীয়ের বাসায় গিয়েছিলেন।  সকাল ৯টার দিকে একদল পুলিশ ওই বাসায় গিয়ে হাজির হয়।  পুলিশ সবাইকে বন্দর এলাকায় একটি বাসায় নিয়ে গিয়ে আটকে রাখে।  সকাল ১১টার দিকে মুছা ও তার ভাইকে রেখে বাকিদের ছেড়ে দেয়।

আটক অভিযানে যাওয়া পুলিশ সদস্যদের মধ্যে বন্দর থানার ওসি একেএম মহিউদ্দিন সেলিম এবং পুলিশ পরিদর্শক নেজাম উদ্দিনকে (বতর্মানে ইমিগ্রেশনে কর্মরত) পান্না আক্তার চিনতে পেরেছিলেন বলে জানিয়েছেন।

তিনি জানান, আটকের ১০ দিন পর গত শুক্রবার সাইদুল ইসলাম সিকদারকে পুলিশ রাঙ্গুনিয়া থানার একটি মামলায় গ্রেফতার দেখিয়েছে।  কিন্তু গত ১৩ দিন ধরে মুছার কোন খোঁজ পাচ্ছি না।  আমি রাঙ্গুনিয়া থানায় জিডি করতে গিয়েছিলাম।  কিন্তু তারা আমার জিডি গ্রহণ করেনি।

x

Check Also

 রাবির ৯ শিক্ষকের থানায় জিডি, সন্ত্রাসী হামলার আশঙ্কা

সন্ত্রাসী হামলার আশঙ্কায় উদ্বিগ্ন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ৯ শিক্ষক। এ কারণে রবিবার ...