Home / অর্থ-বাণিজ্য / চট্টগ্রাম-কক্সবাজার ফ্লাইট আসছে, আশ্বাস মেননের

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার ফ্লাইট আসছে, আশ্বাস মেননের

চট্টগ্রাম, ৩ মে (অনলাইনবার্তা): অবশেষে দেশের বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রামের সঙ্গে পর্যটননগরী কক্সবাজারের মধ্যে আকাশপথে সংযোগ স্থাপনের আশ্বাস দিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন।

মঙ্গলবার (৩ মে) নগরীর স্টেশন রোডে ৪৬ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ‘মোটেল সৈকত’র উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ আশ্বাস দেন।

তিনি বলেন, আমি আপনাদের আজ আশ্বস্ত করতে চাই, ইতিমধ্যে আমরা এ ব্যাপারে উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। শিগগির চট্টগ্রাম-কক্সবাজার ফ্লাইট পরিচালিত হবে।

প্রধানমন্ত্রী ২০১৬ সালকে পর্যটন বর্ষ ঘোষণা করেছেন জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, চট্টগ্রামে অবকাঠামোগত অভাব ছিল। ইতিমধ্যে র্যাডিসন এসেছে। মোটেল সৈকত নতুন একটি মাইলফলক। সুলভ মূল্যে সব ধরনের পর্যটকদের সেবা দেবে এ আবাসিক হোটেলটি। অনন্য সাধারণ চট্টগ্রাম। পাহাড় ও সমুদ্রের পাশাপাশি কর্ণফুলীর স্বাভাবিক সৌন্দর্য পর্যটকদের মুগ্ধ করবে। এখানে অনেক লোকগান, সমৃদ্ধ ঐতিহ্য রয়েছে। এখানে আমরা আসতাম পতেঙ্গায় সূর্যাস্ত দেখার জন্যে। ফয়’স লেকে বেড়ানোর জন্যে।

তিনি বলেন, পারকিতে যে বিচ রয়েছে সেখানে মোটেল সৈকতসহ অবকাঠামোগত উন্নয়নের জন্যে একনেক থেকে আমাদের ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে এবং আমরা শিগগিরই কাজটা শুরু করবো। পতেঙ্গায় আমাদের যে উদ্যোগ ছিল, সেখানে সিডিএ উন্নয়নকাজ করবে। পর্যটনের জন্যে কানেকটিভিটি দরকার। সেই দিক থেকে চট্টগ্রাম পর্যটকদের জন্যে উত্তম স্থান। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক চার লেন হচ্ছে। ছয় লেনে সম্প্রসারিত হবে। চট্টগ্রাম-কক্সবাজার চার লেন করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ঘুমধুম পর্যন্ত রেললাইন হবে। চট্টগ্রাম বিমানবন্দর সম্প্রসারণ করা হবে। শিগগির টেন্ডার আহ্বান করা হবে। কাজ শুরু হয়ে যাবে।

বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক বিমান পরিবহনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, জাতীয় বিমান সংস্থায় নতুন নতুন বিমান যুক্ত করছি। অভ্যন্তরীণ রুটের জন্যে লিজের মাধ্যমে আরও দুটি বিমান সংগ্রহ করছি। আরকেটি একেবারে নতুন কিনবো।

মন্ত্রী বলেন, হজরত শাহজালাল (র.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনালের কাজ চলছে। ২০২০ সালের জুনে সফট ওপেনিং করতে পারবো। আরেকটি সুখবর হচ্ছে, বাংলাদেশ সরকার ইতিমধ্যে দেশের সর্ববৃহৎ বিমানবন্দর বঙ্গবন্ধুর নামে নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ২০২১ সালে এটির নির্মাণকাজ শুরু করতে পারবো।

পর্যটন শিল্পের গুরুত্ব তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, এ শিল্পে অপার সম্ভাবনা রয়েছে। জাতীয় আয়, কর্মসংস্থানে এ শিল্পের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। এখন তিন দিন ছুটি পেলে মানুষ ঘরে থাকে না বেরিয়ে পড়ে। ২০২০ সালের মধ্যে এ শিল্পে পাঁচ লাখ লোকের কর্মসংস্থান হবে। ১০ লাখ বিদেশি পর্যটককে দেশে নিয়ে আসবো।

x

Check Also

আরো আট নারী ও শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ

সাভারের আশুলিয়ায় বন্ধুদের সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে স্থানীয় একটি কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা দুই ...