ঈদুল আযহার পর রাজধানীর কাঁচাবাজারগুলোতে মুরগির দাম কিছুটা কমেছিল। গত সপ্তাহেও একই ধারা অব্যাহত ছিল। তবে আজকের বাজারে মুরগির দামে ভিন্নতা লক্ষ্য করা গেছে। সপ্তাহের ব্যবধানে কেজি প্রতি মুরগির দাম বেড়েছে ১০ থেকে ৩০ টাকা। এদিকে আগের বাড়তি দামেই বিক্রি হচ্ছে চাল এবং সব ধরনের সবজি।

আজ শুক্রবার রাজধানীর কারওয়ান বাজার, হাতিরপুল বাজারসহ কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সপ্তাহের ব্যবধানে ১০ থেকে ৩০ টাকা বেড়ে ব্রয়লার মুরগি আজকের বাজারে বিক্রি হচ্ছে ১৪০-১৪৫ টাকা দরে। লেয়ার মুরগি ১০ টাকা বেড়ে ২০০ টাকা; দেশি মুরগি প্রতি পিস ৪৫০ টাকা; পাকিস্তানি লাল মুরগি কেজি প্রতি ৩০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১৮০ টাকা দরে।

এদিকে কোরবানি ঈদের পর গত সপ্তাহ পর্যন্ত গরু ও খাসির মাংসের বাজার বন্ধ ছিল। তবে আজকের বাজারে গিয়ে দেখা গেছে, গরুর মাংস কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে ৫২০-৫৫০ টাকা। খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭৫০ টাকা দরে।

চালের বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বিভিন্ন অজুহাতে গত কয়েক মাস ধরে বাড়তে থাকে চলের দাম। সর্বশেষ গত দুই সপ্তাহ আগে আবারো বাড়ের চালের দাম। তবে আজকেরও আগের সেই বাড়াতি দামেই বিক্রি হচ্ছে সব ধরনের চাল।

বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, মোটা স্বর্ণা ও পারিজা চাল প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫১-৫২ টাকা দরে। এছাড়া মিনিকেট কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে (ভালো মানের) ৬৪ টাকা দরে, মিনিকেট (সাধারণ) ৬০ টাকা, বিআর-২৮ ৫৮ টাকা, উন্নত মানের নাজিরশাইল ৭০ টাকা, নাজিরশাইল (নরমাল) ৬০, হাস্কি ৫৬, পাইজাম চাল ৫৫ টাকা, বাসমতি ৬৮ টাকা, কাটারিভোগ ৭৬ টাকা এবং পোলাও চাল ৯০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
এদিকে সবজির বাজার আগের বাড়তি দামেই স্থীতিশীল রয়েছে। আজকের বাজারে বেগুন কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে ৭০-৮০ টাকা দরে। এছাড়া শিম ১০০ টাকা; হাইব্রিড টমেটো ১২০ টাকা; শশা ৬০ টাকা; চাল কুমড়া ৫০-৫৫ টাকা; কচুর লতি ৬০-৬৫ টাকা; পটল ৫০ টাকা; ঢেঁড়স ৬০ টাকা; ঝিঙ্গা ৬০ টাকা; চিচিঙ্গা ৫৫-৬০ টাকা; করলা ৬০ টাকা; কাকরোল ৫৫ টাকা; পেঁপে ৪০-৫০ টাকা; কচুরমুখী ৬০ টাকা; আমড়া ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

প্রতিটি ফুলকপি ৩৫ টাকা; বাঁধাকপি ৩০ টাকা এবং লেবু হালি প্রতি ২০ থেকে ৪০ টাকা; পালং শাক আঁটি প্রতি ২০ টাকা; লালশাক ২০ টাকা; পুঁইশাক ৩০ টাকা এবং লাউশাক ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মুদি পণ্যের বাজার ঘুরে দেখা গেছে কেজি প্রতি ছোলা ৮৫ টাকা; দেশি মুগ ডাল ১৩০ টাকা; ভারতীয় মুগ ডাল ৯০ টাকা; মাসকলাই ১২৫ টাকা; দেশি মসুর ডাল ১২০ টাকা; ভারতীয় মসুর ডাল ৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এদিকে আজকের বাজারে ব্র্যান্ড ভেদে ৫ লিটারের বোতল ৫৩০-৫৪০ টাকা; প্রতি লিটারে ১-২ টাকা বেড়ে ১০৭ টাকা থেকে ১০৯ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মাছের বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি কেজি রুই মাছ ২৮০-৪০০ টাকা, সরপুঁটি ৩৮০-৪৫০ টাকা, কাতলা ৩৫০-৪০০ টাকা, তেলাপিয়া ১৪০-১৮০ টাকা, সিলভার কার্প ২৫০-৩০০ টাকা, চাষের কৈ ৩০০-৩৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। পাঙ্গাস প্রতি কেজি ১৫০-২৫০ টাকা, টেংরা ৬০০ টাকা, মাগুর ৬০০-৮০০ টাকা, প্রকার ভেদে চিংড়ি ৪০০-৮০০ টাকা, ৭০০ গ্রাম ওজনের প্রতিটি ইলিশ ৬০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

অন্যদিকে প্রতি কেজি ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ১০০০ টাকা দরে।
 এসএমএইচ// শুক্রবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৭। ৭ আশ্বিন ১৪২৩