Home / টপ নিউজ / নির্বাচনে ট্যাংক ব্যবহার করতে হবে : সিইসি

নির্বাচনে ট্যাংক ব্যবহার করতে হবে : সিইসি

চট্টগ্রাম, ১৯ মে (অনলাইনবার্তা): নির্বাচনী সহিংসতা কমাতে আগামী দিনে ট্যাংক ব্যবহার করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ।বৃহস্পতিবার (১৯ মে) চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসের সম্মেলন কক্ষে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন (ইউপি) উপলক্ষে জেলা প্রশাসন আয়োজিত আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ মন্তব্য করেন।

প্রতিবেশী দেশ ভারতের নির্বাচনের সঙ্গে তুলনামূলক এক প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, সেখানেও সহিংসতা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ, বিহারে প্রচুর সহিংসতা হয়েছে। নির্বাচনী সহিংসতা সাব কন্টিনেন্ট কালচার। বিদেশে আমরা এটা দেখি না। সেখানে আর্মড পুলিশ থাকে না। আমাদের আর্মি, পুলিশ, বিজিবি, র‌্যাব এসবই নির্বাচনের সিংহভাগ। বিদেশে কেন্দ্র দেখিয়ে দেওয়ার জন্য একজন ট্রাফিক পুলিশ থাকেন। আগামী দিনে মনে হচ্ছে ট্যাংকার ব্যবহার করতে হবে।

রাজনৈতিক দলের প্রতীকে ইউপি নির্বাচন না হলে সহিংসতা কমতো কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ বলেন, এটি বলা যায় না। অতীতেও প্রচুর সংঘাত হয়েছে। পরিসংখ্যান দিয়ে এটি বলা যাবে না। স্থানীয় সরকার নির্বাচন এতই প্রতিদ্বন্ধিতাপূর্ণ হয়ে উঠেছে যে এক ভোট এদিক-ওদিক হলে লোকে মাথায় বাড়ি মারে। আমাদের দেশে অসহিষ্ণুতা এখন বেশি মাথা চাড়া দিয়ে উঠছে। আমরা কেউ কারও কথা শুনতে চাই না। আমরা নিজেরাই সবচেয়ে বেশি জানি এবং আমারটাই শেষ কথা। আমি সব চেয়ে উপযুক্ত প্রার্থী। লোকে তো আমাকে ভোট দিয়ে জয়ী করবে। ভোট কাকে দিল সেটি কেয়ার করছি না। আমি হচ্ছি বিজয়ী। আমি যদি না জিতি, খারাপ হয়েছে। তাহলে আমি লাঠি নিয়ে আসছি।

কেন্দ্র দখল করতে গেলে গুলির নির্দেশ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, গুলি করার নির্দেশ মানে কোনো এক্সট্রা ফোর্স নয়। লাঠি থাকলে লাঠি দিয়ে প্রতিহত করবেন। গুলি থাকলে গুলি করবেন। অস্ত্র পাহারা দেয় পালা করে। তখন হামলা হলে ডেফিনেটলি তারা করবে। কী মাত্রার ফোর্স প্রয়োগ করবেন তা পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করবে। যদি রামদা নিয়ে আসে, তবে আপনি অবশ্যই প্রাণটা বাঁচাবেন। কী পরিস্থিতিতে কীভাবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গুলি করবে। তা সব আইনে বলা আছে।

সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মেজবাহ উদ্দিন। সভায় নির্বাচন কমিশনের সচিব সিরাজুল ইসলাম, চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার মো. রুহুল আমিন, ডিআইজি শফিকুল ইসলাম, নগর পুলিশ কমিশনার ইকবাল বাহার, পুলিশ সুপার একেএম হাফিজ আকতার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আবদুল জলিল, আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা আবদুল বাতেন, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা খোরশেদ আলম, কোস্টগার্ডের কমান্ডার ফয়েজ উদ্দিন, বিজিবির লে. কর্নেল ইকরাম, লে. কর্নেল ইমারতসহ চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

x

Check Also

আরো আট নারী ও শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ

সাভারের আশুলিয়ায় বন্ধুদের সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে স্থানীয় একটি কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা দুই ...