Home / টপ নিউজ / বানোয়াট তথ্য দিয়ে নাগরিকদের বিভ্রান্ত করা হচ্ছে,বললেন মেয়র

বানোয়াট তথ্য দিয়ে নাগরিকদের বিভ্রান্ত করা হচ্ছে,বললেন মেয়র

অনলাইন বার্তা প্রতিবেদক
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আলহাজ্ব আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেছেন, সাবেক একজন মেয়র ও বিশিষ্টজনেরা পত্র পত্রিকায় মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য উপাত্ত উপস্থাপন করে নাগরিকদের বিভ্রান্ত করার অপপ্রয়াসে লিপ্ত। তিনি তাদের মিথ্যাচার প্রসঙ্গে বলেন, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ধারাবাহিকতা বজায় রেখে ১৯৮৫ সনের গেজেট মূলে পৌরকর আদায় করছে মাত্র। সরকার নির্ধারিত ১৭ ভাগ ট্যাক্সের অতিরিক্ত এক টাকাও অধিক ধার্য্য হয় নাই। সিটি কর্পোরেশন নাগরিকদের হোল্ডিং এর বিপরীতে ৭ ভাগ, পরিচ্ছন্নতার জন্য ৭ ভাগ এবং আলোকায়নের জন্য ৩ ভাগ ট্যাক্স আদায় করছে। মেয়র বলেন, ২০১৬ সনের ৩১ জানুয়ারি প্রকাশিত গেজেটে আলোকায়নের বিপরীতে ৩ ভাগ থেকে ৫ ভাগ ট্যাক্স বৃদ্ধি ধার্য্য করা সত্তেও সিটি কর্পোরেশন বির্ধিত হার কার্যকর করা থেকে বিরত রয়েছে। কারণ নগরীকে শতভাগ আলোকিত না করে অতিরিক্ত ২ ভাগ ট্যাক্স ধার্য্য করা সঠিক হবে না। জনাব আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহ করার জন্য সুনির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ রয়েছে। গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহ করার জন্য সিটি কর্পোরেশনের নিকট সরকার দায়িত্ব ন্যস্ত করেনি। সুতরাং এ তিনটি বিষয় সম্পর্কে জনমনে বিভ্রান্ত সৃষ্টির অপপ্রয়াস ও বিদ্বেষমূলক। প্রসঙ্গক্রমে মেয়র বলেন, নগরবাসীর পৌরকরের উপর ভিত্তি করে সিটি কর্পোরেশনের সেবা নিশ্চিত করা হয়। নানামুখী ষড়যন্ত্রের কারণে পৌরকর আদায়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির প্রয়াসও দুঃখজনক বলে অভিমত ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, প্রতি ৫ বছর অন্তর অন্তর পৌরকর পুনঃমূল্যায়নে সরকার সিটি কর্পোরেশনকে ক্ষমতা দিয়েছে- প্রাপ্ত ক্ষমতা ও এখতিয়ার মূলে সিটি কর্পোরেশন মেয়াদ উত্তীর্ণ ১১টি ওয়ার্ডে কর পুনঃমূল্যায়ন কর্মসূচি বাস্তবায়নে উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এ বিষয়ে মেয়র শান্তি প্রিয় নগরবাসীর সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন। সিটি মেয়র বলেন, মেয়াদ উত্তির্ণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র, সাবেক মেয়র, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, এমপি, সাবেক এমপি, রাজনৈতিক নেতৃত্ব, সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের হোল্ডিং সার্ভে করে কর পুনঃমূল্যায়নের উদ্যোগও নেয়া হবে। তাহলে নগরবাসীর মনে শান্তি ও প্রশান্তি ফিরে আসবে। জনাব আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, সিটি কর্পোরেশন উত্তরাধিকার সূত্রে শিক্ষা খাতে সেবা ও স্বাস্থ্য সেবা দিয়ে যাচ্ছে। এ দু’টি সেবার জন্য নগরবাসীকে একটি টাকাও ট্যাক্স দিতে হয়না। উপরন্তু সিটি কর্পোরেশন শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের সেবার জন্য অবকাঠামোগত উন্নয়ন বাদে প্রায় ৩৫ কোটি টাকা ভর্তুকি দিয়ে যাচ্ছে। শিক্ষার স্বার্থে চলতি বছর ২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে সিটি কর্পোরেশনে অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে। প্রয়োজনে আরো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অধিগ্রহণ করা হবে। সিটি মেয়র ফিরোজ শাহ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের দেয়াল নির্মাণ, আসবাবপত্র সরবরাহ সহ শিক্ষক স্বল্পতা নিরসনে উদ্যোগ নেবে। ২৮ এপ্রিল ২০১৬ খ্রি. বৃহস্পতিবার, দুপুরে ফিরোজশাহ সিটি কর্পোরেশন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অত্র বিদ্যালয়ের বার্ষিক পুরস্কার বিতরণ, কৃতি সংবর্ধনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষনে সিটি মেয়র এ সব কথা তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ৯নং উত্তর পাহাড়তলী ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. জহুরুল আলম জসিম। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন ২৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও শিক্ষা ও স্বাস্থ্য বিষয়ক স্থায়ী কমিটির সভাপতি নাজমুল হক ডিউক, ৪নং সংরক্ষিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর মিসেস আবিদা আজাদ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন অত্র বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মোশাররফ হোসেন মজুমদার, তিনি স্কুলের বার্ষিক রিপোর্টও পেশ করেন। শিক্ষার্থীদের মধ্যে ১০ম শ্রেণির ছাত্র ছিদ্রাতুন মুনতাহা বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে মেয়র ও অতিথিদের ক্রেস্ট ও ফুল দিয়ে বরন করা হয়। পরে মেয়র পুরস্কার বিতরণ করেন।

x

Check Also

আরো আট নারী ও শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ

সাভারের আশুলিয়ায় বন্ধুদের সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে স্থানীয় একটি কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা দুই ...