Home / অর্থ-বাণিজ্য / মহেশখাল বাঁধ ভাঙতে গেল জনতা, পুলিশের গুলি

মহেশখাল বাঁধ ভাঙতে গেল জনতা, পুলিশের গুলি

চট্টগ্রাম, ২১ মে (অনলাইনবার্তা): বিপুল পানিতে প্লাবিত হবার পর চট্টগ্রাম বন্দরের তৈরি মহেশখাল বাঁধ ভাঙার চেষ্টা করেছে ক্ষতিগ্রস্ত কয়েক হাজার মানুষ।  এসময় বাধা দিতে গেলে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ায় স্থানীয়রা।  পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশকে গুলি ছুঁড়তে হয়।  এতে বন্দর থানার ওসি একেএম মহিউদ্দিন সেলিমসহ কমপক্ষে ১৫ জন আহত হয়েছেন।

শনিবার (২১ মে) দুপুর ২টার দিকে নগরীর বন্দর রিপাবলিক ক্লাবের পাশে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

২০১৫ সালে চট্টগ্রাম বন্দর মহেশখালে বাঁধ নির্মাণ করে।  এতে আগ্রাবাদ সিডিএ আবাসিক এলাকা জলাবদ্ধতা থেকে রক্ষা পেলেও মহেশখালের বিপরীতের জনপদগুলো ভয়াবহ জলাবদ্ধতার কবলে পড়ছে বলে অভিযোগ আছে।

স্থানীয় বাসিন্দা স্বরুপ দত্ত রাজু  জানান, শনিবার দুপুরে রোয়ানু আঘাত হানার পর মহেশখাল বাঁধের বিপরীতে বিস্তির্ণ এলাকা জুড়ে ব্যাপক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়।  নগরীর পোর্ট পুরাতন মার্কেট, এছাক ব্রাদার্স কন্টেইনার ইয়ার্ড, আদর্শ পাড়া, দিঘীর পাড়া, মুন্সী পাড়া, এক নম্বর সাইট পাড়া, নিশ্চিন্তা পাড়া, ধোপপুল, মাইজ পাড়া, ঈশান মিস্ত্রীর হাট, পুরাতন ডাকঘর, হাজী আব্দুল মালুম বাড়ী এলাকার কোথাও কোমর সমান পানি আবার কোথাও হাঁটু পানিতে তলিয়ে যায়।  এসব এলাকার কয়েক হাজার বাসিন্দার ঘরে পানি উঠে যায়।

বন্দর থানার ওসি একেএম মহিউদ্দিন সেলিম  বলেন, জলাবদ্ধতার শিকার হয়ে জনতার মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।  এসময় তারা সংঘবদ্ধ হয়ে মহেশখাল বাঁধ ভেঙ্গে দেয়ার জন্য আসে।  খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গেলে তারা আমাদের লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকে।  এসময় আমরা ৩০ থেকে ৩৫ রাউণ্ড শটগানের গুলি এবং চার রাউণ্ড টিয়ার শেল ছুঁড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনি।

বড় ইটের আঘাতে ওসি একেএম মহিউদ্দিন সেলিমের ডান হাত ভেঙ্গে গেছে।  এছাড়া এলাকাবাসীর মধ্যে ১০ থেকে ১৫ জন আহত হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

সংঘর্ষের পর পুলিশ মহেশখাল বাঁধ ঘিরে পাহারা বসিয়েছে।  তবে এখনও থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে বলে জানিয়েছেন বন্দর থানার ওসি একেএম মহিউদ্দিন সেলিম।

x

Check Also

আরো আট নারী ও শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ

সাভারের আশুলিয়ায় বন্ধুদের সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে স্থানীয় একটি কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা দুই ...