Home / আন্তর্জাতিক / মুস্তাফিজের অনুপস্থিতি দলের কাম্য নয়

মুস্তাফিজের অনুপস্থিতি দলের কাম্য নয়

চট্টগ্রাম, ২৮ মে (অনলাইনবার্তা): ডেভিড ওয়ার্নারের ব্যাটে চড়ে গুজরাট লায়ন্সকে হারিয়ে স্বপ্নের ফাইনালে উঠে গেছে সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদ। তবে, হ্যামস্ট্রিং ইনজুরির কারণে ফাইনাল নিশ্চিতের ম্যাচে খেলতে পারেননি টাইগার পেসার মুস্তাফিজুর রহমান। ম্যাচ শেষে দলের আরেক পেসার ভুবনেশ্বর কুমার জানান, মুস্তাফিজকে হারানো দলের জন্য মোটেই ভালো ছিল না।

দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার ম্যাচটিতে সুরেশ রায়নার গুজরাটকে চার উইকেটে হারিয়েছে হায়দ্রাবাদ। চার বল বাকি থাকতেই ১৬৩ রানের লক্ষ্য টপকে যায় টম মুডির শিষ্যরা।

মুস্তাফিজের বদলি হিসেবে বাঁচা-মরার এই ম্যাচে খেলেছেন প্রায় দুই মাস ধরে কোনো ম্যাচ না খেলা নিউজিল্যান্ডের পেসার ট্রেন্ট বোল্ট। তিন স্পেলে চার ওভারে ৩৯ রানের বিনিময়ে গুজরাট দলপতি রায়নার (১) উইকেট নেন কিউই এই পেসার। পাশাপাশি ওপেনার একলাভইয়া দ্বিবেদীর (৫) ক্যাচ ও দিনেশ কার্তিককে (২৬) রান অাউটের ফাঁদে ফেলেন বোল্ট।

আগের ম্যাচে হায়দ্রাবাদের দলপতি ডেভিড ওয়ার্নার কলকাতার বিপক্ষে ম্যাচের পর জানিয়েছিলেন, আগে ব্যাট করলে স্কোরবোর্ডে বড় সংগ্রহ ধরে রাখতে চান। তবে, অঘোষিত সেমি-ফাইনালের ম্যাচে টস জিতেও ব্যাটিং না নিয়ে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন ওয়ার্নার।

এ প্রসঙ্গে গুজরাট ম্যাচের পর ভুবনেশ্বর কুমার জানান, আমাদের টিম মিটিংয়ে আগে ব্যাটের কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু, শেষ মুহূর্তে আমরা পরিকল্পনা বদলে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেই। দলে আশিষ নেহারার মতো অভিজ্ঞ বোলার ইনজুরির কারণে খেলতে পারছেন না। মুস্তাফিজের মতো বোলারকেও আমরা এ ম্যাচে মাঠে নামাতে পারিনি। তাই আমরা সিদ্ধান্ত পাল্টে ফেলি। আপনি তাকিয়ে দেখুন গুজরাটের ব্যাটিং লাইন আপ কি ছিল। তাদের দলে ছিলেন অ্যারন ফিঞ্চ, সুরেশ রায়না, ব্রেন্ডন ম্যাককালাম আর ডোয়াইন স্মিথের মতো বিশ্বসেরা ব্যাটসম্যান। তারা খুব ভালো রান চেজ করতে পারেন। অনায়াসে বড় সংগ্রহের দিকেও তারা পৌঁছে যেতে পারে।

১৫ ম্যাচে ১৬ উইকেট দখল করা মুস্তাফিজ সবথেকে কম ইকোনমি রেটে বল করে যাচ্ছেন আসরের শুরু থেকেই। অপরদিকে, কাটার এই মাস্টারের বদলি হিসেবে সুযোগ পাওয়া বোল্ট গত মার্চে শেষ ম্যাচ খেলেছিলেন। দীর্ঘদিন মাঠের বাইরে থাকা এই পেসার শেষ দুই ওভারে দিয়েছেন ২৬ রান।

তারপরও মুস্তাফিজ আর বোল্ট প্রসঙ্গে ভুবনেশ্বর জানান, প্রথম থেকে মুস্তাফিজ সত্যিই অসাধারণ বোলিং করে যাচ্ছে। তাকে হারিয়ে দল আসলেই বিপদে পড়েছিল। তবে, বোল্ট ভালো করেছে। যদিও শেষ দুই ওভারে কিছুটা খরুচে ছিল বোল্টের বোলিং ফিগার। এটা ম্যাচেরই অংশ। আপনি দেখে থাকবেন বোল্ট নেটে যথেষ্ট পরিশ্রম করেছেন। কারণ তিনি জানতেন সেমি-ফাইনালের এই ম্যাচে কিংবা ফাইনালের মঞ্চে তাকে মাঠে নামানো হতে পারে। ফিজকে হারানো দলের জন্য ভালো নয়।

ফাইনালে দলের সেরা ক্রিকেটারদের সকলে খেলতে পারবেন আশা প্রকাশ করেন ভুবনেশ্বর। বিরাট কোহলির রয়েল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর বিপক্ষে ফাইনালের মঞ্চে মাঠে নামবে মুস্তাজিদের হায়দ্রাবাদ।

x

Check Also

আমি হারলে ধরে নিতে হবে জালিয়াতি হয়েছে : ট্রাম্প

তাকে হারানোর একমাত্র রাস্তা ভোট জালিয়াতি। বিরোধীরা সেই চেষ্টাই করছে- রিপাবলিকানের নির্বাচনী ...