Home / অর্থ-বাণিজ্য / সম্পর্কের নতুন দিগন্তে বাংলাদেশ-বুলগেরিয়া : চার চুক্তি সই

সম্পর্কের নতুন দিগন্তে বাংলাদেশ-বুলগেরিয়া : চার চুক্তি সই

চট্টগ্রাম, ২০ মে (অনলাইনবার্তা): প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার সফরের মাধ্যমে পূর্ব ইউরোপের দেশ বুলগেরিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হতে যাচ্ছে।

সফরকালে বুলগেরিয়ার প্রেসিডেন্ট রোসেন প্লেভনেলিভ ও প্রধানমন্ত্রী বয়কো বোরিসভের সঙ্গে আন্তরিক পরিবেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একান্ত ও দ্বিপাক্ষিক বৈঠক এবং প্রধানমন্ত্রীর সফরের শেষ দিনে দুই দেশের মধ্যে তিনটি সমঝোতা স্মারক ও একটি কাঠামোগত চুক্তির পর এমনটাই মনে করছেন পররাষ্ট্র সচিব শহীদুল হক।

শহীদুল হক সাংবাদিকদের বলেন, আশা করছি বুলগেরিয়ার সঙ্গে অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন হবে।

 শুক্রবার (২০ মে) সকালে সোফিয়ায় বুলগেরিয়ান প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার কার্যালয়ে একান্ত ও দ্বি-পাক্ষিক বৈঠক হয় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার। বৈঠকের পর দুই দেশের মধ্যে তিনটি সমঝোতা স্মারক ও একটি চুক্তি সই হয়।

সে বৈঠক ও চুক্তি সইয়ের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন পররাষ্ট্র সচিব।

 এর আগে, বুধবার (১৮ মে) বুলগেরিয়ার প্রেসিডেন্টের সঙ্গেও তার কার্যালয়ে একান্ত ও দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হয় শেখ হাসিনার।

দু’দেশের প্রধানমন্ত্রীর মধ্যকার বৈঠকের কথা তুলে ধরে পররাষ্ট্র সচিব জানান, কীভাবে দুই দেশের সম্পর্ক আরও উন্নত করা যায়, বৈঠকে তা নিয়ে আলোচনা করেছেন শেখ হাসিনা ও বোরিসভ। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষায় বাংলাদেশের অবদান ও দ্বিপাক্ষিক বিভিন্ন বিষয়ও বৈঠকে উঠে আসে।

 প্রধানমন্ত্রীর এ সফরের তাৎপর্য তুলে ধরে শহীদুল হক বলেন, বাংলাদেশ-বুলগেরিয়ার মধ্যে একটা ঐতিহাসিক সম্পর্ক ছিল। বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডের পর এ সম্পর্কে বড় ধরনের পতন হয়। নতুন করে সম্পর্ক গড়ায় প্রধানমন্ত্রীর এ সফর গুরুত্বপূর্ণ।

 এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী প্রেস সচিব ইহসানুল করিম বলেন, ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর পূর্ব ইউরোপের দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক এগোতে পারেনি।

ইহসানুল করিম জানান, পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে কাজ করে দুই দেশই লাভবান হবে বলে আশা করছেন প্রধানমন্ত্রী।

 পররাষ্ট্র সচিব বলেন, বুলগেরিয়া তথ্য-প্রযুক্তি ও কৃষি ক্ষেত্রে অগ্রগামী। প্রধানমন্ত্রী এসব বিষয়ে সহযোগিতার কথা বলেছেন। একইসঙ্গে বাংলাদেশের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে তথ্য-প্রযুক্তিতে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন তাদের।

 পররাষ্ট্র সচিব জানান, ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ-বুলগেরিয়ার মধ্যে সাংস্কৃতিক সহযোগিতা বিষয়ক চুক্তি হয়েছিলো। সেটা কখনো বাস্তবায়ন হয়নি। শেখ হাসিনা বুলগেরিয়ার প্রধানমন্ত্রীকে এই চুক্তিটি পুনরুজ্জীবিত করার প্রস্তাব দিয়েছেন এবং তা গ্রহণও করেছেন বোরিসভ।

 এক প্রশ্নের জবাবে শহীদুল হক বলেন, বুলগেরিয়া বিনিয়োগ বিষয়ে একমত হয়েছে। বিশেষত আইটি, পর্যটন ও কৃষি খাতে তারা আগ্রহ দেখিয়েছে।

 চুক্তির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, চুক্তিগুলো নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলেছে।

x

Check Also

আরো আট নারী ও শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ

সাভারের আশুলিয়ায় বন্ধুদের সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে স্থানীয় একটি কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা দুই ...