Home / টপ নিউজ / সাখাওয়াতের ফাঁসি, ৭ জনের আমৃত্যু কারাদণ্ড

সাখাওয়াতের ফাঁসি, ৭ জনের আমৃত্যু কারাদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক :

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় যশোরের সাবেক এমপি সাখাওয়াত হোসেনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এ ছাড়া বাকি ৭ জনের আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

বিচারপতি আনোয়ারুল হকের নের্তৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল বুধবার এই রায় ঘোষণা করেন।

রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখা এই মামলাটি মঙ্গলবার কার্যতালিকায় এলে ট্রাইব্যুনাল রায় ঘোষণার জন্য বুধবার দিন ধার্য করেন। গত ১৪ জুলাই যুক্তি উপস্থাপন শেষে আদালত মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ (সিএভি) রাখেন।

রাষ্ট্রপক্ষে এ মামলায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন প্রসিকিউটর জেয়াদ আল মালুম, সঙ্গে ছিলেন রেজিয়া সুলতানা চমন।

অন্যদিকে সাখাওয়াতের পক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন আব্দুস সাত্তার পালোয়ান। আর পলাতক আসামিদের পক্ষে ছিলেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী আব্দুস শুকুর খান।

মুক্তিযুদ্ধের সময় অপহরণ, আটক, নির্যাতন, ধর্ষণ ও হত্যার মতো মানবতাবিরোধী অপরাধের যে পাঁচ অভিযোগ আসামিদের বিরুদ্ধে আনা হয় সেগুলো হলো-

অভিযোগ ১ : যশোরের কেশবপুর উপজেলার বোগা গ্রামে এক নারীকে অপহরণ, আটক, নির্যাতন এবং ধর্ষণ।

অভিযোগ ২ : একই উপজেলার চিংড়া গ্রামের চাঁদতুল্য গাজী ও তার ছেলে আতিয়ারকে অপহরণ, আটক, নির্যাতন ও হত্যা।

অভিযোগ ৩ : কেশবপুরের চিংড়া গ্রামের মো. নুরুদ্দিন মোড়লকে অপহরণ, আটক ও নির্যাতন।

অভিযোগ ৪ : কেশবপুরের হিজলডাঙার আ. মালেক সরদারকে অপহরণ, আটক, নির্যাতন ও খুন।

অভিযোগ ৫ : কেশবপুরের মহাদেবপুর গ্রামের মিরন শেখকে অপহরণ, আটক, নির্যাতন এবং ওই গ্রামে অগ্নিসংযোগ ও লুণ্ঠন।

২০১২ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি সাখাওয়াতসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগের তদন্ত শুরু করে প্রসিকিউশনের তদন্ত দল।

২০১৫ সালের ১৮ জুন তদন্ত প্রতিবেদন ট্রাইব্যুনালে দাখিল করা হয়। একই বছরের ২৬ জুন অভিযোগ আমলে নেওয়ার বিষয়ে শুনানি হলে ১২ জনের মধ্যে তিনজনের বিরুদ্ধে ‘অভিযোগের উপাদান’ না পাওয়ায় তাদের মামলা থেকে অব্যাহতি দেন ট্রাইব্যুনাল। এরপর ২০১৫ সালের ৮ সেপ্টেম্বর আদালত অভিযুক্ত নয়জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন।

আর ২০১৫ সালের ২৩ ডিসেম্বর অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে যশোরের নয় আসামির বিচার শুরু করেন ট্রাইব্যুনাল।

নয় আসামি হলেন সাখাওয়াত, মো. বিল্লাল হোসেন বিশ্বাস, মো. ইব্রাহিম হোসাইন, শেখ মো. মজিবুর রহমান, এম এ আজিজ সরদার, আব্দুল আজিজ সরদার, কাজী ওহিদুল ইসলাম, মো. আব্দুল খালেক ও মো. লুৎফর মোড়ল। তবে আসামি মো. লুৎফর মোড়ল কারাবন্দি থাকা অবস্থায় মারা যান। তাই বাকি আটজনের বিচার চলে। যাদের মধ্যে সাখাওয়াত ও বিল্লাল কারাগারে, বাকি ছয়জন পলাতক।

 আরডি/ এসএমএইচ // ১০ আগস্ট ২০১৬

x

Check Also

আরো আট নারী ও শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ

সাভারের আশুলিয়ায় বন্ধুদের সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে স্থানীয় একটি কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা দুই ...