ভারতের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দেবেন দেশটির বিভিন্ন স্তরের জনপ্রতিনিধিরা। আর ভারতের জনপ্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে অপরাধের রেকর্ড মোটেই কম নয়। সম্প্রতি তেমনই এক পরিসংখ্যান প্রকাশিত হয়েছে, যা বহু মানুষকে স্তম্ভিত করে দিয়েছে।

যেসব নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের ভোটে ভারতের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন, তাদের মধ্যে ৩৩ শতাংশের ‘ক্রিমিনাল রেকর্ড’ রয়েছে। যার মধ্যে রয়েছেন সংসদের উভয়কক্ষের সদস্যদের সঙ্গে রাজ্য বিধানসভার সদস্যরাও। মোট ৪,৮৫২ জন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি নিজেদের সম্পর্কে তথ্যপ্রমাণ জমা দিয়েছেন। তার থেকেই সামনে এসেছে এই তথ্য। এর মধ্যে ২০ শতাংশের বিরুদ্ধে আবার ‘গুরুতর ক্রিমিনাল কেস’ রয়েছে।

ভারতের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হতে চলেছেন, তা জানতে এখনও ৪ দিন বাকি। ১৭ জুলাই নির্বাচন। ২০ জুলাই ফল ঘোষণা। রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী হিসেবে রামনাথ কোবিন্দের নাম ঘোষণা করেছে এনডিএ। অন্যদিকে বিরোধী জোটের প্রার্থী মীরা কুমার।

রিপোর্ট অনুযায়ী ৩৩% লোকসভার সাংসদ, ১৯% রাজ্যসভার সাংসদ এবং সব রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের ৩৩% শতাংশ বিধায়কের বিরুদ্ধে ‘অপরাধ সংক্রান্ত’ মামলা ঝুলছে। অর্থাৎ, লোকসভার ৫৪৩ জন সাংসদের মধ্যে ১৮৪ জন, রাজ্যসভার ২৩১ জন সাংসদের মধ্যে ৪৪ জন ও সারা দেশে মোট ৪,০৭৮ জন বিধায়কের মধ্যে ১৩৫৩ জন বিধায়ক আইনের খাতায় ‘অপরাধী’।